কি বোর্ডের শর্টকাট কমান্ড- Keyboard shortcut command

কি-বোর্ডের শর্টকাট কমান্ড (A থেকে Z) ২৬ বর্ণ – Keyboard shortcut command (A-Z) 26 Letters

কি-বোর্ডের শর্টকাট কমান্ড (A থেকে Z) ২৬ বর্ণ – Keyboard shortcut command (A-Z) 26 Letters

আমরা গত পর্বে কম্পিউটার কি-বোর্ড (F1 থেকে F12)  পর্যন্ত ১২ টা বাটন এর শর্টকাট সম্পর্কে জেনেছি। আজ আমরা আরো কিছু কি-বোর্ড শর্টকাট সম্পর্কে জানবো।

সবাইকে স্বাগতম muktokosh.comবাংলাদেশের অন্যতম টেকব্লগ আসা করি সবাই ভালো আছেন। আপনারা হয়তো টাইটেল দেখে বুঝে গিয়েছেন আমরা কি নিয়ে কথা বলতে চলেছি ।  তাহলে চলুন দেরি না করে চলে যাই আমাদের আলোচ্য বিষয়ে ।

কি বোর্ডের শর্টকাট কমান্ড (A থেকে Z)
কি বোর্ডের শর্টকাট কমান্ড (A থেকে Z)

কম্পিউটার কি-বোর্ড এর ব্যবহার- Use of computer keyboard

কম্পইউটার কি-বোর্ড ব্যবহার আমরা মোটামটি সবাই জানি। আমাদের কি-বোর্ডে a থেকে z পর্যন্ত যে ২৬ টা বর্ণ রয়েছে তা আমরা কি কাজে ব্যবহার করি?

আমরা সবাই বলব এই বর্ণ গুলো দিয়েই তো আমরা মাইক্রসফট ওয়র্ড সহ আরো অনেক জায়গায় লেখা-লেখির কাজ করতে পারি।

আসলে কি এই ২৬ টা বর্ণের কাজ এই লেখা-লেখির জন্য?

আমরা এবার ভাবছি এ ছাড়া আর কি কাজ করা জায় এই গুলো দিয়ে?

চিন্তার কোনও কারন নেই আজ আময়ারা এই ২৬ টা বর্ণের আরো কিছু কাজ জানবো।

 

মাইক্রসফট ওয়ার্ড কি বোর্ডের শর্টকাট কমান্ড (A থেকে Z) পর্যন্ত – Microsoft Word Keyboard shortcut command (A-Z)

 

(Ctrl+A)

এই ২ টা বাটন এক সাথে ক্লিক করলে একটি ফাইল বা ডকমেন্টে থাকা সব কিছু সিলেক্ট হবে। আপনি সুধু মাইক্রসফট ওয়ার্ড এ নয় বরং এর মাধ্যমে আপনি কোনও ওয়েব পেইজে থাকা সকল কিছু সিলেক্ট করতে পারবেন। এর ২টা বাটন এর সাহায্যে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেক বড় বড় ফাইল এ থাকা সব কিছু সিলেক্ট করা সম্ভব হয়।

 

Ctrl+B

এই ২টি বাটন এর সাহায্যে আমরা যেকোনও লেখাকে (Bold) /মোটা করে লেখতে পারি। এর জন্য অবশ্যই লেখাটি সিলেক্ট করতে হবে।

আমাদের অনেক সময় কোনও লেখাকে হাই-লাইট করে লেখার প্রয়োজন হয়। এই জন্য আমরা খুব সহজে কি-বোর্ড থেকে এই ২ টা বাটন ক্লিক করে লেখাটি (Bold) করে ফেলতে পারি।

 

Ctrl+C

এই ২ টা বাটন এর সাহায্যে আমরা খুব সহয্যে সিলেক্ট করা যে কোনও কিছু  কপি করতে পারি।

আমাদের অনেক কাজে কোনও লেখা, ফাইল, ছবি সহ সিলেক্ট করা যে কোনও কিছু খুব সহজে Ctrl+C ক্লিক করে কপি করে নিতে পারি । এর ফলে আমাদের সময়ও কম লাগে।

 

Ctrl+D

এই ২ টা বাটন এক সাথে ক্লিক করলে মাইক্রসফট অফিসের ফন্ট ডায়লগ বক্স ওপেন হবে।

এই বাটন এর মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই ফন্ট ডায়লক বক্স শো করাতে পারি।

 

Ctrl+E

এই বাটন ২ টার সাহায্যে আমরা সিলেক্ট করা লেখা পেইজের মাঝখানে নিয়ে আসতে পারি।

আমাদের অনেক সময় হেডিং দেওয়া লেখাকে পেইজের মাঝে আনতে চাই। আর এই ২ টা বাটন এক সাথে ক্লিক করলে লেখাটি পেইজের মাঝখনে চলে আসবে, তবে অবশ্যই লেখাটি সিলেক্ট থাকতে হবে।

 

Ctrl+F

এই ২ টা বাটন এর সাহেয্যে কোনও তথ্য খোঁজার কাজে ব্যবহার করা হয়।

আমাদের অনেক সময় একটা লেখা খোঁজার প্রয়োজন হয়। তখন আমরা সম্পুর্ণ লেখাটি পরতে শুরু করি। আর এর ফলে সে লেখাটি খুজে বের করতে অনেক সময় ও অনেক কষ্ট  হয়। তাই আমরা অনেক কম সময়ে ও খুব সহজে এই ২ টা বাটন ব্যবহার করে লেখাটি বা তথ্যটি খুজে বের করতে পারি ।

 

Ctrl+G

এই বাটন ২ টার সাহয্যে নির্দিষ্ট কোনও পেইজে যাওয়া সম্ভব।

আমাদের অনেক সময় দেখা যায় ২০-২৫ টা পেইজ আছে । আমরা ২৫ নাম্বার পেইজে আছি এখন আমাদের ৩ নাম্বার পেইজে কিছু তথ্য ঠিক করতে বা ঐ তথ্য দেখার প্রয়জন হলো তখন আমরা মাউস দিয়ে ঐ পেইজটি খুঁজতে থাকি। যার ফলে আমাদের অনেক সময় লাগে পেইজটি খুজে বের করতে।

আর সে কাজটি খুব সহজে এই ২ টা বাটন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পেইজ খুঁজে বের করা যায়।

 

Ctrl+H

রিপ্লেস ডায়লগবক্স চালু করতে ব্যবহার করা হয়।

আমাদের অনেক সময় কিছু লেখার পরিবর্তে অন্য একটি লিখতে হয় বা লেখাটি ভুল হয়েছে পরিবর্তন করতে হবে । আর এই লেখাটি অনেক গুলো আছে ।একটা একটা করে পরিবর্তন করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয় । আর এই কাজ টি করতে আমাদের বিরক্ত লাগে।

এই কাজটি আমরা এই ২ টা বাটন এর সাহায্যে অনেক কম সময়ে করে ফেলতে পারি । এমন কি এক সাথে সব গুলো পরিবর্তন হয়ে যায় ।

 

Ctrl+I

এই ২ টা বাটন এর সাহায্যে  লেখাকে ইটালিক বা বাঁকা করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

আমরা অনেক সময় লেখাকে বাঁকা করে লিখতে চাই আর এই জন্য আমরা Ctrl+I ক্লিক করে বাঁকা করে লিখতে পারবো।

 

Ctrl+J

লেখাকে জাস্টিফাই বা দু’দিক সমান করতে ব্যবহার করা হয়।

আমরা পর পর কয়েক লাইন লেখার পর দেখতে পাই এক-একটা লেখা একেক সাইজের লাইন। আর সব গুলো এক সমান করতে Ctrl+j চেপে করতে পারি ।

 

Ctrl+k

হাইপারলিংক তৈরি করতে Ctrl+k ব্যবহার করে করতে পারবো।

আমদের অনেক সময় লেখাকে হাইপারলিংক করার প্রয়োজন হয়  আর Ctrl+k ব্যবহার করে খুব সহজেই করতে পারবো।

 

Ctrl+L

টেক্স পেইজের/টেক্স বক্সের বাম দিকে নিতে ব্যবহৃত হয়।

আমাদের অনেক সময় লেখাকে পেইজের বাম দিকে নেওয়ার প্রয়োজন হয়। আর এই বাটনের মাধ্যমে খুব সহজেই পেইজের বাম দিকে নিতে পারি।

 

Ctrl+M      

ডান দিকে ট্যাব দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়।

 

Ctrl+N

নতুন ডকুমেন্ট ফাইল খোলা হয়।

Ctrl+N ব্যবহার করে খুব সহজেই একটা নতুন ফাইল তৈরি করতে পারি।

 

Ctrl+O

পুরাতন বা সেভ করা ফাইল বা ডকুমেন্ট ওপেন/খোলার কাজে ব্যবহৃত হয়।

 

Ctrl+P

যে কোন কিছু প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

আমরা কোনও কিছু প্রিন্ট করতে চাইলে এই বটনের সাহায্যে খুব সহজে প্রিন্ট অপশনে চলে যেতে পারি।

 

Ctrl+R

টেক্স পৃষ্টার/টেক্স বক্সের ডান দিকে নিতে ব্যবহৃত হয়।

সিলেক্ট করা লাইন বা যে লাইনে লিখছেন ঐ লাইন পেইজের ডান সাইটে নিতে Ctrl+R  ব্যবহার করে খুব সহজে নিতে পারবো।

 

Ctrl+S

নতুন/পুরাতন ফাইল সেভ বা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।

আমরা ফাইল বা কোনও তথ্য সেভ বা সংরক্ষন করতে Ctrl+S  এর মাধ্যমে খুব সহজে সেভ করতে পারি।

 

Ctrl+T       

বাম দিকের দ্বিতীয় লাইন থেকে নির্দিষ্ট স্থান দূরে সরানো ।

 

Ctrl+U      

সিলেক্টকৃত টেক্স এর নীচে আন্ডারলাইন করতে ব্যবহার হয়।

আমরা অনেক সময় লেখার নিচে দাগ বা আন্ডারলাইন করতে চাই এর এই বাটনের সাহায্যে খুব সহজে লেখার নিচে আন্ডারলাইন করতে পারি।

 

Ctrl+V       

কপি করা যে কোন কিছু পেস্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

আমাদের অনেক সময় কোনও ফাইল বা ডকমেন্ট কপি করে অন্য জায়গায় নিতে হয় আর আমরা কপি করার পর পেস্ট করার সময় এই বাটন এর সাহায্যে খুব সহজেই কপি করা কোনোও কিছু পেস্ট করতে পারি।

 

Ctrl+W     

প্রোগ্রাম বন্ধ না করে নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়।

 

Ctrl+X

নির্বাচিত বা সিলেক্টকৃত যে কোন কিছুকে কাট করেতে ব্যবহৃত হয়।

আমাদের অনেক সময় কোনও কিছু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিতে হয়। আর আমরা এই বাটন এর সাহায্যে খুব সহজেই যে কোনও লেখা, ফাইল, ডকমেন্ট বা অন্য যে কোনও কিছু কাট করতে পারি।

 

Ctrl+Y

পরবর্তী কাজ সমূহে চলে যাবার জন্য (Redo) ব্যবহৃত হয়।

আমরা কোনও কাজের পূর্বে চলে এসেছি আর পরের কাজে যেতে এই বাটনের সাহায্যে খুব সহজে জেতে পারি।

 

Ctrl+Z

পূর্বর্তী কাজ সমূহে যাবার জন্য (Undo) ব্যবহৃত হয়।

আমাদের অনেক সময় কাজ করা কালিন আগের কাজে যাওয়ার প্রয়োজন হয় আর এই বাটন এর সাহায্যে খুব সহজেই আগেই কাজে যেতে পারি।

 

 

আগামিতে আমরা আরো কিছু সম্পর্কে পর্যায়ক্রমে জানবো – So stay tuned with techtrech😊

Default image
nazmul islam
Articles: 6

Leave a Reply